পিরোজপুরের ভান্ডারিয়ায় মা*দকবিরো*ধী অ*ভিযানসহ বিভিন্ন অ*পরাধ দ*মনে থানা পুলিশের তৎপরতা অব্যাহত রয়েছে। অফিসার ইনচার্জ (ওসি) জগলুল হাসানের নেতৃত্বে অ*ভিযানে মা*দক ব্যবসায়ীসহ বিভিন্ন অ*পরাধে অভিযুক্ত ব্যক্তিদের গ্রে*প্তা*র করে আদালতে পাঠানো হচ্ছে।
তবে স্থানীয়দের অভিযোগ ও আলোচনায় উঠে এসেছে—গ্রে*প্তা*রের পর অনেক আ৳সামি দ্রুত জামিনে মুক্তি পেয়ে আবারও একই ধরনের অ*পরাধে জড়িয়ে পড়ছেন। এ পরিস্থিতিতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর অ*ভিযানের পাশাপাশি আদালতের আইনগত প্রক্রিয়া ও জামিন ব্যবস্থাপনা নিয়েও জনমনে নানা প্রশ্ন দেখা দিয়েছে।
স্থানীয়দের প্রশ্ন, থানা পুলিশ দীর্ঘ সময় ও পরিশ্রম করে যাদের গ্রে*প্তার করে আদালতে সোপর্দ করছে, তারা যদি অল্প সময়ের মধ্যেই জামিনে বেরিয়ে পুনরায় অ*পরাধে জড়িয়ে পড়েন, তাহলে অপরাধ দমনে স্থায়ী সমাধান কীভাবে আসবে?
বিশেষ করে মা*দকসংক্রান্ত অ*পরাধের ক্ষেত্রে পুনরায় অ*পরাধে জড়ানোর অ*ভিযোগ থাকলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী পরবর্তী ব্যবস্থা এবং নজরদারি কতটা কার্যকর হচ্ছে—এ বিষয়েও আলোচনা রয়েছে
মা*দকমুক্ত সমাজ গড়তে পুলিশি অ*ভিযান, আইনগত প্রক্রিয়া, পুনর্বাসন এবং সামাজিক সচেতনতা—সবগুলো ক্ষেত্রেই কার্যকর সমন্বয় জরুরি বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
প্রশ্ন একটাই—অ*ভিযান ও গ্রে*প্তা*রের পরও যদি একই ব্যক্তির বি*রুদ্ধে বারবার অ*পরাধে জড়ানোর অ*ভিযোগ ওঠে, তাহলে মা*দকমুক্ত বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্য কতটা কার্যকরভাবে বাস্তবায়ন করা সম্ভব?
স্বপ্ন বাংলা নিউজ টিভি








