ঢাকা ০২:৩০ অপরাহ্ন, সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬

সবগুলো বিষয়ে শূন্য পেল মেধাবী মেয়েটি

স্টাফ রিপোর্টার,
984
পরীক্ষার ফল দেখতে গিয়ে স্বাভাবিকভাবেই তালিকার উপরের দিকেই চোখ বোলাচ্ছিল মরিয়ম মালেক। শীর্ষস্থান অধিকারীদের মধ্যে নিজের নাম না দেখে একটু অবাকই হল।

তারপরও আশা ছিল, মেডিকেল স্কুলে ভর্তির উপযুক্ত নম্বর অন্তত পাবে সে। কিন্তু যখন তালিকায় নিজের নাম খুঁজে পেল সে, তখন মাথা ঘুরে মাটিতে পড়ে গেল।

এর আগের পরীক্ষাগুলোতে সবসময়েই সর্বোচ্চ নম্বর পেয়ে এসেছে মরিয়ম। মিশরের হাই স্কুল পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের মধ্যে সবচাইতে ভাল ছাত্রী হিসেবেই গণ্য করা হতো তাকে।

অথচ হাই স্কুলের শেষ পরীক্ষায়ই সে ফেল করল! শুধু ফেল বললে কম হবে, কারণ যে সাতটি বিষয়ে সে পরীক্ষা দিয়েছিল, তার সবগুলোতেই শূন্য পেয়েছে সে।

‘আমি কানে কিছু শুনছিলাম না। মুখ থেকে কথা বের হচ্ছিল না। এটা কিভাবে সম্ভব? আমি কি করে সবগুলোতে শূন্য পেলাম?’ বলছিল বিস্ময়ে হতবাক মরিয়ম।

প্রাথমিকভাবে গুজব ছড়িয়েছিল যে মিশরের সংখ্যালঘু কপটিক খ্রিষ্টান সম্প্রদায়ের সদস্য হবার কারণে মরিয়মকে ফেল করানো হয়েছে।

তবে এই তত্ত্ব বাতিল হয়ে গেছে। এখন তার পরিবার বিশ্বাস করে যে মরিয়ম দুর্নীতির শিকার।

মরিয়মের ভাই বলছে, ‘হয় স্কুল কর্তৃপক্ষ নয়তো পরীক্ষা বোর্ড মরিয়মের উত্তরপত্র এমন কারো সঙ্গে বদলে দিয়েছে যার পরীক্ষা মোটেই ভাল হয়নি।’

মরিয়ম মালেকের এই ঘটনা অনলাইনে বিপুল সংখ্যক মানুষের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছে। হাজার হাজার মানুষ এখন টুইটারে ‘আই বিলিভ মরিয়ম মালেক’ নামে হ্যাশ ট্যাগ ব্যবহার করছে। তার সমর্থনে একটি ফেসবুক পাতাও চালু হয়েছে যাতে এরই মধ্যে ত্রিশ হাজারের বেশী মানুষ লাইক দিয়েছে।

জনপ্রিয় সংবাদ

কাউখালীর উপজেলার ৪নং চিড়াপাড়া পারসাতুরিয়া ইউনিয়ন: সম্ভাব্য চেয়ারম্যান প্রার্থী হিসেবে মানুষের মন জয় করে আলোচনায় মনিরুল ইসলাম শাহীন ​🗳️ দলীয় সমর্থন প্রত্যাশা, পাশাপাশি ইউনিয়নবাসীর দোয়া ও ভালোবাসা কামনা

সবগুলো বিষয়ে শূন্য পেল মেধাবী মেয়েটি

আপডেট সময় : ১১:২৩:৪৪ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৬ সেপ্টেম্বর ২০১৫

স্টাফ রিপোর্টার,
984
পরীক্ষার ফল দেখতে গিয়ে স্বাভাবিকভাবেই তালিকার উপরের দিকেই চোখ বোলাচ্ছিল মরিয়ম মালেক। শীর্ষস্থান অধিকারীদের মধ্যে নিজের নাম না দেখে একটু অবাকই হল।

তারপরও আশা ছিল, মেডিকেল স্কুলে ভর্তির উপযুক্ত নম্বর অন্তত পাবে সে। কিন্তু যখন তালিকায় নিজের নাম খুঁজে পেল সে, তখন মাথা ঘুরে মাটিতে পড়ে গেল।

এর আগের পরীক্ষাগুলোতে সবসময়েই সর্বোচ্চ নম্বর পেয়ে এসেছে মরিয়ম। মিশরের হাই স্কুল পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের মধ্যে সবচাইতে ভাল ছাত্রী হিসেবেই গণ্য করা হতো তাকে।

অথচ হাই স্কুলের শেষ পরীক্ষায়ই সে ফেল করল! শুধু ফেল বললে কম হবে, কারণ যে সাতটি বিষয়ে সে পরীক্ষা দিয়েছিল, তার সবগুলোতেই শূন্য পেয়েছে সে।

‘আমি কানে কিছু শুনছিলাম না। মুখ থেকে কথা বের হচ্ছিল না। এটা কিভাবে সম্ভব? আমি কি করে সবগুলোতে শূন্য পেলাম?’ বলছিল বিস্ময়ে হতবাক মরিয়ম।

প্রাথমিকভাবে গুজব ছড়িয়েছিল যে মিশরের সংখ্যালঘু কপটিক খ্রিষ্টান সম্প্রদায়ের সদস্য হবার কারণে মরিয়মকে ফেল করানো হয়েছে।

তবে এই তত্ত্ব বাতিল হয়ে গেছে। এখন তার পরিবার বিশ্বাস করে যে মরিয়ম দুর্নীতির শিকার।

মরিয়মের ভাই বলছে, ‘হয় স্কুল কর্তৃপক্ষ নয়তো পরীক্ষা বোর্ড মরিয়মের উত্তরপত্র এমন কারো সঙ্গে বদলে দিয়েছে যার পরীক্ষা মোটেই ভাল হয়নি।’

মরিয়ম মালেকের এই ঘটনা অনলাইনে বিপুল সংখ্যক মানুষের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছে। হাজার হাজার মানুষ এখন টুইটারে ‘আই বিলিভ মরিয়ম মালেক’ নামে হ্যাশ ট্যাগ ব্যবহার করছে। তার সমর্থনে একটি ফেসবুক পাতাও চালু হয়েছে যাতে এরই মধ্যে ত্রিশ হাজারের বেশী মানুষ লাইক দিয়েছে।