ঢাকা ০৩:০৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬

ক্লিনিকে যৌন নিপীড়ন, হুমকিতে গ্রামছাড়া তরুণী

  • নিজস্ব প্রতিবেদক:
  • আপডেট সময় : ০৭:৫২:১০ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২ ফেব্রুয়ারী ২০১৭
  • ৪১৬ বার পড়া হয়েছে

নাটোরের সিংড়ায় কমিউনিটি ক্লিনিকে চিকিৎসা নিতে গিয়ে যৌন নির্যাতনের শিকার হলেন কলেজছাত্রী। এ ঘটনায় সিংড়া থানায় মামলা করেছে নির্যাতিতার পরিবার। তবে নিপীড়কের হুমকিতে গ্রাম ছাড়তে হয়েছে ওই তরুণীকে।

গেলো সোমবার সকালে তাজপুর ইউনিয়নের তিনভিটা হিয়াতপুর কমিউনিটি স্বাস্থ্য কেন্দ্রে চিকিৎসা নিতে যান ওই তরুণী। এ সময় ক্লিনিক পরিচালনা কমিটির সদস্য মাহাবুবুর রহমানের সহযোগিতায় তিনভিটা গ্রামের সিদ্দিক প্রামাণিকের ছেলে সেলিম ও নজু ফকিরের ছেলে শামীম ফকির ওই তরুণীর মাকে বের করে দিয়ে ভেতর থেকে দরজা আটকে দেন। পরে সেলিম মেয়েটির শ্লীলতাহানির চেষ্টা করে। এসময় মায়ের চিৎকারে লোকজন ছুটে এলে তারা পালিয়ে যায়।

এদিকে ঘটনা তদন্তে সিংড়া স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক মেডিকেল অফিসার মুরাদ হোসেনকে প্রধান করে ৩ সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। রাত সাড়ে ১০টার দিকে স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান মিনহাজ উদ্দিনকে প্রধান আসামি করে মামলা করা হয়। সেলিমকে থানায় সোপর্দ করা হয়েছে।

সিংড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নাসির উদ্দিন মন্ডল আরটিভি অনলাইনকে জানান, ‘এ পর্যন্ত সেলিম নামের একজনকে আটক করা হয়েছে। বাকী আসামিদের আটকের চেষ্টা চলছে।’

জনপ্রিয় সংবাদ

কাউখালীর উপজেলার ৪নং চিড়াপাড়া পারসাতুরিয়া ইউনিয়ন: সম্ভাব্য চেয়ারম্যান প্রার্থী হিসেবে মানুষের মন জয় করে আলোচনায় মনিরুল ইসলাম শাহীন ​🗳️ দলীয় সমর্থন প্রত্যাশা, পাশাপাশি ইউনিয়নবাসীর দোয়া ও ভালোবাসা কামনা

ক্লিনিকে যৌন নিপীড়ন, হুমকিতে গ্রামছাড়া তরুণী

আপডেট সময় : ০৭:৫২:১০ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২ ফেব্রুয়ারী ২০১৭

নাটোরের সিংড়ায় কমিউনিটি ক্লিনিকে চিকিৎসা নিতে গিয়ে যৌন নির্যাতনের শিকার হলেন কলেজছাত্রী। এ ঘটনায় সিংড়া থানায় মামলা করেছে নির্যাতিতার পরিবার। তবে নিপীড়কের হুমকিতে গ্রাম ছাড়তে হয়েছে ওই তরুণীকে।

গেলো সোমবার সকালে তাজপুর ইউনিয়নের তিনভিটা হিয়াতপুর কমিউনিটি স্বাস্থ্য কেন্দ্রে চিকিৎসা নিতে যান ওই তরুণী। এ সময় ক্লিনিক পরিচালনা কমিটির সদস্য মাহাবুবুর রহমানের সহযোগিতায় তিনভিটা গ্রামের সিদ্দিক প্রামাণিকের ছেলে সেলিম ও নজু ফকিরের ছেলে শামীম ফকির ওই তরুণীর মাকে বের করে দিয়ে ভেতর থেকে দরজা আটকে দেন। পরে সেলিম মেয়েটির শ্লীলতাহানির চেষ্টা করে। এসময় মায়ের চিৎকারে লোকজন ছুটে এলে তারা পালিয়ে যায়।

এদিকে ঘটনা তদন্তে সিংড়া স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক মেডিকেল অফিসার মুরাদ হোসেনকে প্রধান করে ৩ সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। রাত সাড়ে ১০টার দিকে স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান মিনহাজ উদ্দিনকে প্রধান আসামি করে মামলা করা হয়। সেলিমকে থানায় সোপর্দ করা হয়েছে।

সিংড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নাসির উদ্দিন মন্ডল আরটিভি অনলাইনকে জানান, ‘এ পর্যন্ত সেলিম নামের একজনকে আটক করা হয়েছে। বাকী আসামিদের আটকের চেষ্টা চলছে।’