কাউখালী উপজেলার শিয়ালকাঠি ইউনিয়নে অল্প সময়ের ব্য’বধানে একের পর এক হ’ত্যা’কান্ডে উ’ত্তে’জনা ছড়িয়েছে এলাকাজুড়ে। স্থানীয় দ্ব’ন্দ্ব, স’ন্ত্রা’স এবং মা’দ’ক সংশ্লিষ্টতার অ’ভি’যোগ থাকলেও, বি’চা’র না পেয়ে বারবার আ’ইন নিজের হাতে তুলে নিচ্ছে জনতা।
এই ঘটনার সর্বশেষ ব’লি, মো. আলী হোসেন (৩০)। এর আগে নি’হ’ত হন মামুন মেম্বার ও হাছিব বয়াতি।
প্রথমে ব’লি হন মামুন মেম্বার ।
স্থানীয় সুত্রে জানা যায়, রাজ’নৈতিক আধি’পত্য ও ব্যক্তিগত বি’রো’ধের জে’রে তাঁকে পরিকল্পিতভাবে হ’ত্যা করা হয়।
এরপর খু’ন হন হাছিব বয়াতি।
তাঁর বি’রু’দ্ধেও মা’দ’ক ও স’ন্ত্রা’সের অ’ভি’যোগ থাকলেও, হ’ত্যা’র কারণ হিসেবে স্থানীয় শ’ত্রু’তার কথা বলছেন এলাকাবাসী।
আর সর্বশেষ, গত রবিবার সন্ধ্যায় গ’ণপি’টু’নির শি’কার হন মো. আলী হোসেন।
বান্দাঘাটা এলাকায় ডা’কা’ত ডা’কা’ত বলে চিৎকার করে স্থানীয় কিছু লোক তাকে ধরে পি’টি’য়ে গুরুতর আ’হত করে।
প্রথমে তাকে কাউখালী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স এবং পরে খুলনা ২৫০ শ’য্যা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হলে রাত সাড়ে ১২টার দিকে চিকি’ৎসাধীন অবস্থায় মা’রা যান তিনি।
আলী হোসেনের স্ত্রী সোনিয়া বা’দী হয়ে কাউখালী থা’নায় একটি মা’ম’লা দা’য়ের করেছেন। ইতোমধ্যে পু’লিশ অভিযুক্ত আব্দুল আলীম মাসুদকে গ্রে’প্তা’র করেছে।
আলী হোসেনের পরিবারের দা’বি— এটি একটি পরিকল্পিত হ’ত্যা’কা’ণ্ড। তাকে ডেকে নিয়ে মৃ’ত্যু’র ফাঁ’দে ফেলা হয়েছে। তবে স্থানীয়রা বলছেন, আলী ছিলেন একটি মা’দক ও স’ন্ত্রা’সী চক্রের সক্রিয় সদস্য। তাঁর কর্মকাণ্ডে এলাকাবাসী ছিল অ’তি’ষ্ট ও আ’তঙ্কে।
থা’নার ও’সি ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।
স্থানীয়দের মত, তিনটি ঘটনাই ছিল পূর্বপরি’কল্পিত, এবং এদের ব্যা’কগ্রা’উন্ড ভালো ছিল না।
তবুও আ’ইন নিজের হাতে তুলে নেওয়ার প্রব’ণতা নিয়ে জনগণের মধ্যে মিশ্র প্রতি’ক্রিয়া দেখা গেছে। কেউ কেউ বলছেন— এভাবে ন্যা’য়বি’চার হয় না।
এই ঘটনায় সাধারণ লোক আ’ত’ঙ্কের ভিতর আছে যাতে কোন নি’র্দো’ষ ব্যক্তি হ’য়রা’নির শি’কার না হয়
স্বপ্ন বাংলা নিউজ টিভির পক্ষ থেকে, আমরা বলব— আ’ইন নিজের হাতে না তুলে ন্যা’য়ের জন্য নি’র্ভর করুন প্র’শা’সনের উপর।
শিয়ালকাঠিতে একের পর এক হ’ত্যা— আ’ত’ঙ্কে এলাকাবাসী স্বপ্ন বাংলা নিউজ টিভি, কাউখালী (পিরোজপুর)
-
নিজস্ব প্রতিবেদক: - আপডেট সময় : ০৯:৩৭:৩৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ২০ অক্টোবর ২০২৫
- ৪৩৩ বার পড়া হয়েছে











