ঢাকা ০৬:০০ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬

ভাইকে খু’ন করে নাম–ধর্ম বদলে ৩৬ বছর প’লাত’ক, অবশেষে গ্রে’প্তার —

  • উত্তরপ্রদেশের বেরেলিতে ৩৬ বছরের পুরোনো এক হ’ত্যাকা’ণ্ডের মা’মলার আ’সা’মি অবশেষে পু’লিশের জালে ধ’রা পড়েছেন। ভাইকে খু’নের দা’য়ে ১৯৮৯ সালে যাব’জ্জীবন দ’ণ্ডপ্রাপ্ত প্রদীপ কুমার সাক্সেনা প্যারোল নিয়ে বেরিয়েই পালিয়ে যান। এরপর নিজের নাম, ধর্ম, চেহারা—সব পরিবর্তন করে ‘আবদুল রহিম’ পরিচয়ে মোরাদাবাদে গাড়িচালক হিসেবে বছরের পর বছর লুকিয়ে ছিলেন।

    হা’ইকো’র্টের নি’র্দেশে মা’ম’লাটি নতুন করে তৎপরতা পায়। ১৬ অক্টোবর আ’দা’লত পু’লিশকে চার সপ্তাহের মধ্যে সাক্সেনাকে হা’জির করার নি’র্দেশ দিলে ত’দ’ন্তের গতি বেড়ে যায়। পুরোনো নথি, স্থানীয় তথ্য, পরিচিতজনদের সঙ্গে কথা বলা—সব মিলিয়ে পু’লিশ শেষ পর্যন্ত তাঁর আসল পরিচয় শনাক্ত করতে সক্ষম হয়।

    ‎এক পু’লিশ কর্মকর্তা জানান, দীর্ঘদিন পালিয়ে থাকার পরও অ’পরা’ধের ছাপ মু’ছে যায় না। কাগজপত্রের মিল, পুরোনো নথি ও ত’দন্তে’র সূক্ষ্ম প্রচেষ্টাতেই ধরা পড়ে যায় সাক্সেনা। পরে বেরেলি এলাকা থেকে তাকে গ্রে’প্তার করে আ’দালতে তোলা হয়।

    পু’লিশ সূত্র বলছে, ধ’র্মা’ন্তর ও পরিচয় পরিবর্তন করে তিনি ভাবতেন, আ’ইন কখনো তাকে ছুঁতে পারবে না। কিন্তু তিন দশকের বেশি সময় পরও সেই পুরোনো অ’পরা’ধই তাকে ধরা দিল।

ভান্ডারিয়ায় মোবাইল কোর্টে যুবকের ৩ মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড

ভাইকে খু’ন করে নাম–ধর্ম বদলে ৩৬ বছর প’লাত’ক, অবশেষে গ্রে’প্তার —

আপডেট সময় : ০৮:৫৮:৪০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৮ নভেম্বর ২০২৫
  • উত্তরপ্রদেশের বেরেলিতে ৩৬ বছরের পুরোনো এক হ’ত্যাকা’ণ্ডের মা’মলার আ’সা’মি অবশেষে পু’লিশের জালে ধ’রা পড়েছেন। ভাইকে খু’নের দা’য়ে ১৯৮৯ সালে যাব’জ্জীবন দ’ণ্ডপ্রাপ্ত প্রদীপ কুমার সাক্সেনা প্যারোল নিয়ে বেরিয়েই পালিয়ে যান। এরপর নিজের নাম, ধর্ম, চেহারা—সব পরিবর্তন করে ‘আবদুল রহিম’ পরিচয়ে মোরাদাবাদে গাড়িচালক হিসেবে বছরের পর বছর লুকিয়ে ছিলেন।

    হা’ইকো’র্টের নি’র্দেশে মা’ম’লাটি নতুন করে তৎপরতা পায়। ১৬ অক্টোবর আ’দা’লত পু’লিশকে চার সপ্তাহের মধ্যে সাক্সেনাকে হা’জির করার নি’র্দেশ দিলে ত’দ’ন্তের গতি বেড়ে যায়। পুরোনো নথি, স্থানীয় তথ্য, পরিচিতজনদের সঙ্গে কথা বলা—সব মিলিয়ে পু’লিশ শেষ পর্যন্ত তাঁর আসল পরিচয় শনাক্ত করতে সক্ষম হয়।

    ‎এক পু’লিশ কর্মকর্তা জানান, দীর্ঘদিন পালিয়ে থাকার পরও অ’পরা’ধের ছাপ মু’ছে যায় না। কাগজপত্রের মিল, পুরোনো নথি ও ত’দন্তে’র সূক্ষ্ম প্রচেষ্টাতেই ধরা পড়ে যায় সাক্সেনা। পরে বেরেলি এলাকা থেকে তাকে গ্রে’প্তার করে আ’দালতে তোলা হয়।

    পু’লিশ সূত্র বলছে, ধ’র্মা’ন্তর ও পরিচয় পরিবর্তন করে তিনি ভাবতেন, আ’ইন কখনো তাকে ছুঁতে পারবে না। কিন্তু তিন দশকের বেশি সময় পরও সেই পুরোনো অ’পরা’ধই তাকে ধরা দিল।