ঢাকা ০৬:২৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬

ঘুমন্ত স্বামীকে শীল-পাটা দিয়ে আঘাত করে নির্মমভাবে হত্যা করলেন স্ত্রী

  • নিজস্ব প্রতিবেদক:
  • আপডেট সময় : ০৩:৫২:২২ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ ফেব্রুয়ারী ২০১৭
  • ৮৪৮ বার পড়া হয়েছে

ঘুমন্ত স্বামীকে শীল-পাটা দিয়ে আঘাত করে নির্মমভাবে হত্যা করলেন স্ত্রী

রাজধানীর মালিবাগে পারিবারিক কলহের জের ধরে অহিদুল ইসলাম চৌধুরী স্বপন (৬০) নামে ঘুমন্ত স্বামীকে শীল-পাটা দিয়ে আঘাত করে স্বামীকে খুন করেছেন এক স্ত্রী। বুধবার সকালের ওই ঘটনায় দুপুরে ঘাতক স্ত্রী মোসুমী ইসলাম নাহারকে আটক করেছে পুলিশ।

জানা যায়, ১৬৩ মালিবাগ বাজার রোডের নিজস্ব বাসার ৫ তলায় থাকতেন ওই পরিবার। তাদের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরেই পারিবারিক কলহ চলছিল।

স্ত্রীর অভিযোগ মতে, তার স্বামী কাজকর্ম করেন না। বেশিরভাগ সময় নেশাগ্রস্ত থাকেন। তাদের মধ্যে বেশিরভাগ সময় ঝগড়া হত। বুধবার সকালে ঘুমন্ত অবস্থায় তার স্বামীকে শীল-পাটা দিয়ে আঘাত করেন স্ত্রী মৌসুমী। এতে মারা যায় তার স্বামী।

মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতাল মর্গে পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছে বলে জানান শাজাহানপুর থানার পরিদর্শক (তদন্ত) আব্দুল মাবুদ।

ভান্ডারিয়ায় মোবাইল কোর্টে যুবকের ৩ মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড

ঘুমন্ত স্বামীকে শীল-পাটা দিয়ে আঘাত করে নির্মমভাবে হত্যা করলেন স্ত্রী

আপডেট সময় : ০৩:৫২:২২ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ ফেব্রুয়ারী ২০১৭

ঘুমন্ত স্বামীকে শীল-পাটা দিয়ে আঘাত করে নির্মমভাবে হত্যা করলেন স্ত্রী

রাজধানীর মালিবাগে পারিবারিক কলহের জের ধরে অহিদুল ইসলাম চৌধুরী স্বপন (৬০) নামে ঘুমন্ত স্বামীকে শীল-পাটা দিয়ে আঘাত করে স্বামীকে খুন করেছেন এক স্ত্রী। বুধবার সকালের ওই ঘটনায় দুপুরে ঘাতক স্ত্রী মোসুমী ইসলাম নাহারকে আটক করেছে পুলিশ।

জানা যায়, ১৬৩ মালিবাগ বাজার রোডের নিজস্ব বাসার ৫ তলায় থাকতেন ওই পরিবার। তাদের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরেই পারিবারিক কলহ চলছিল।

স্ত্রীর অভিযোগ মতে, তার স্বামী কাজকর্ম করেন না। বেশিরভাগ সময় নেশাগ্রস্ত থাকেন। তাদের মধ্যে বেশিরভাগ সময় ঝগড়া হত। বুধবার সকালে ঘুমন্ত অবস্থায় তার স্বামীকে শীল-পাটা দিয়ে আঘাত করেন স্ত্রী মৌসুমী। এতে মারা যায় তার স্বামী।

মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতাল মর্গে পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছে বলে জানান শাজাহানপুর থানার পরিদর্শক (তদন্ত) আব্দুল মাবুদ।