ঢাকা ০৫:৫৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬

মহাখালী রেলগেটের পথশিশুদের জীবনের লড়াই— ‎মায়ের কোলে নয়, বেঁচে থাকার সংগ্রামে শৈশব


‎ঢাকার ব্যস্ততম এলাকা মহাখালী রেলগেট— প্রতিদিন হাজারো মানুষের পদচারণায় মুখরিত এই পথের পাশে বসবাস করছে এক শ্রেণির শিশু, যাদের নেই কোনো ঘর, নেই মা-বাবার স্নেহ কিংবা যত্ন। জন্মের পর থেকেই বেঁচে থাকা যেন তাদের একমাত্র ল’ড়াই।

‎রেললাইনের ধারে প্লাস্টিকের ছাউনি, ছেঁড়া চাদর আর পুরনো কার্টনের নিচে দিন কাটে এই শিশুদের। কেউ পলিথিন কুড়িয়ে, কেউ ভিক্ষা করে, কেউবা গাড়ির কাচ মুছে দিন শেষে জোটায় একমুঠো ভাত। তবুও চোখে স্বপ্ন— হয়তো কোনোদিন তারাও স্কুলের ইউনিফর্ম পরে বই হাতে হাঁটবে।

‎এই পথশিশুদের ভবিষ্যৎ যেন অ’ন্ধকারে ঢাকা। শিক্ষা, চিকিৎসা, নিরাপত্তা— কোনো কিছুরই সুযোগ নেই তাদের। দিনরাত রেললাইনের শব্দে ঘুম ভা’ঙে, কখনো পু’লি’শের তাড়া, কখনো মা’দকের ভয়। শিশুরা জানে না মায়ের আদর কী, জানে না বাবার যত্ন কেমন। তাদের পৃথিবী শুরু হয় রাস্তায়, শেষও হয় সেই রাস্তায়।

‎একজন দশ বছরের পথশিশু, নাম শুভ (ছদ্মনাম), স্বপ্ন বাংলা নিউজ টিভিকে জানায়—
‎“আম্মু নাই, আব্বু কই গেছে জানি না। আমি পলিথিন কুড়াই, যা পাই খাই। পড়তে পারলে ভালো লাগত, কিন্তু কেউ শেখায় না।”

‎এই কথাগুলোই যেন তুলে ধরে শত শত শিশুর হৃদয়ের আ’র্ত’নাদ। সমাজের অ’বহে’লায় বড় হতে থাকা এসব পথশিশুরা একদিন সমাজেরই অংশ হয়ে উঠবে— কিন্তু তারা কেমন মানুষ হবে, তা নির্ভর করছে আজ আমরা তাদের জন্য কী করছি তার উপর।

‎সরকারি-বেসরকারি উদ্যোগে কিছু পথশিশু উ’দ্ধার কেন্দ্র ও পুনর্বাসন প্রকল্প থাকলেও, বাস্তবে তার পরিধি এখনো খুব সীমিত। বিশেষজ্ঞরা বলছেন— শুধুমাত্র দান নয়, প্রয়োজন দীর্ঘমেয়াদি শিক্ষা ও মান’সিক পুনর্বাসন কর্মসূচি।

‎স্বপ্ন বাংলা নিউজ টিভির পক্ষ থেকে আহ্বান—
‎এই শিশুদের দিকে আরেকবার মা’নবিক দৃষ্টিতে তাকানো হোক। কারণ প্রতিটি শিশুরই অধিকার আছে মা-বাবার ভালোবাসায়, নিরাপদ আশ্রয়ে এবং সুন্দর ভবিষ্যতের স্বপ্নে বাঁচার।

ভান্ডারিয়ায় মোবাইল কোর্টে যুবকের ৩ মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড

মহাখালী রেলগেটের পথশিশুদের জীবনের লড়াই— ‎মায়ের কোলে নয়, বেঁচে থাকার সংগ্রামে শৈশব

আপডেট সময় : ০১:৩৫:৪৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ৮ নভেম্বর ২০২৫


‎ঢাকার ব্যস্ততম এলাকা মহাখালী রেলগেট— প্রতিদিন হাজারো মানুষের পদচারণায় মুখরিত এই পথের পাশে বসবাস করছে এক শ্রেণির শিশু, যাদের নেই কোনো ঘর, নেই মা-বাবার স্নেহ কিংবা যত্ন। জন্মের পর থেকেই বেঁচে থাকা যেন তাদের একমাত্র ল’ড়াই।

‎রেললাইনের ধারে প্লাস্টিকের ছাউনি, ছেঁড়া চাদর আর পুরনো কার্টনের নিচে দিন কাটে এই শিশুদের। কেউ পলিথিন কুড়িয়ে, কেউ ভিক্ষা করে, কেউবা গাড়ির কাচ মুছে দিন শেষে জোটায় একমুঠো ভাত। তবুও চোখে স্বপ্ন— হয়তো কোনোদিন তারাও স্কুলের ইউনিফর্ম পরে বই হাতে হাঁটবে।

‎এই পথশিশুদের ভবিষ্যৎ যেন অ’ন্ধকারে ঢাকা। শিক্ষা, চিকিৎসা, নিরাপত্তা— কোনো কিছুরই সুযোগ নেই তাদের। দিনরাত রেললাইনের শব্দে ঘুম ভা’ঙে, কখনো পু’লি’শের তাড়া, কখনো মা’দকের ভয়। শিশুরা জানে না মায়ের আদর কী, জানে না বাবার যত্ন কেমন। তাদের পৃথিবী শুরু হয় রাস্তায়, শেষও হয় সেই রাস্তায়।

‎একজন দশ বছরের পথশিশু, নাম শুভ (ছদ্মনাম), স্বপ্ন বাংলা নিউজ টিভিকে জানায়—
‎“আম্মু নাই, আব্বু কই গেছে জানি না। আমি পলিথিন কুড়াই, যা পাই খাই। পড়তে পারলে ভালো লাগত, কিন্তু কেউ শেখায় না।”

‎এই কথাগুলোই যেন তুলে ধরে শত শত শিশুর হৃদয়ের আ’র্ত’নাদ। সমাজের অ’বহে’লায় বড় হতে থাকা এসব পথশিশুরা একদিন সমাজেরই অংশ হয়ে উঠবে— কিন্তু তারা কেমন মানুষ হবে, তা নির্ভর করছে আজ আমরা তাদের জন্য কী করছি তার উপর।

‎সরকারি-বেসরকারি উদ্যোগে কিছু পথশিশু উ’দ্ধার কেন্দ্র ও পুনর্বাসন প্রকল্প থাকলেও, বাস্তবে তার পরিধি এখনো খুব সীমিত। বিশেষজ্ঞরা বলছেন— শুধুমাত্র দান নয়, প্রয়োজন দীর্ঘমেয়াদি শিক্ষা ও মান’সিক পুনর্বাসন কর্মসূচি।

‎স্বপ্ন বাংলা নিউজ টিভির পক্ষ থেকে আহ্বান—
‎এই শিশুদের দিকে আরেকবার মা’নবিক দৃষ্টিতে তাকানো হোক। কারণ প্রতিটি শিশুরই অধিকার আছে মা-বাবার ভালোবাসায়, নিরাপদ আশ্রয়ে এবং সুন্দর ভবিষ্যতের স্বপ্নে বাঁচার।