- মেহেরপুরের গাংনীতে বিএনপির মনোনয়নর দ্ব’ন্দ্ব আরও তী’ব্র আকার ধারণ করেছে। মেহেরপুর-২ আসনে প্রার্থী পরিবর্তনের দা’বিতে আজ বিকেলে গাংনী বাসস্ট্যান্ড এলাকার থেকে বি’ক্ষো’ভ মি’ছিল অনুষ্ঠিত হয়।
বি’ক্ষো’ভে নেতৃত্ব দেন গাংনী উপজেলা বিএনপি সভাপতি আলফাজ উদ্দিন, এবং সমা’বেশে বক্তারা দা’বি জানান যে, জেলা বিএনপির সভাপতি জাভেদ মাসুদ মিল্টনকে মনোনয়ন না দেওয়া হচ্ছে।
সমা’বেশে অংশ নেওয়া নেতাকর্মীরা বলেন, তারা আ’ন্দোল’ন অব্যা’হত রাখবেন যতক্ষণ পর্যন্ত তাদের দা’বিটি মেনে নেওয়া না হয়।
এক বক্তা বলেন, “তৃণমূলের মতামত উপেক্ষা করে মনোনয়ন দেওয়া হচ্ছে, যা দলের স্বা’র্থ ও সাধারণ জনগণের স্বার্থ উভয়ের জন্যই ক্ষ’তিকর হতে পারে।”
এই নিয়ে ইনসাইড দ্ব’ন্দ্বও আছে:
মনোনীত প্রার্থী হিসেবে সাবেক সংসদ সদস্য আমজাদ হোসেন রয়েছেন, কিন্তু তাঁর বি’রু’দ্ধে অ’ভিযো’গ করেছেন মি’ছিলকা’রীরা যে তিনি দীর্ঘ সময় দলের তৃণমূল কর্মীদের সঙ্গে যোগাযোগ রাখেননি।
বি’ক্ষো’ভে অংশ নেওয়া আসাদুল ইসলাম নামে এক নেতা বলেন, “হোসেন আমেরিকায় ছিলেন প্রায় ১৭ বছর, কিন্তু জাভেদ মাসুদ চিরকাল তৃণমূলের পাশে ছিলেন — জে’লে ছিলেন, নির্যা’তনের শি’কার হয়েছিলেন।”
জাভেদ মাসুদ নিজেও বলছেন, “গাংনীতে বিএনপির তৃণমূল কর্মীরা আমাকে সমর্থন করছে। যারা আ’ন্দোলন করছেন, তারা শুধু আমার অনুসারী নন, বরং বিশ্বাসযোগ্য নেতা হিসেবে আমাকে দেখতে চান।”
অন্যদিকে, মনোনীত প্রার্থী আমজাদ হোসেন দা’বি করেন, “বিএনপি আমাকে দলীয় সিদ্ধান্ত অনুযায়ী মনোনয়ন দিয়েছে। দলের সিদ্ধান্তের বাইরে জয়-বিজয় বা নির্বাচন-পরবর্তী বিষয় নিয়ে এখনই আলাদা দৃষ্টিভঙ্গা গ্রহণ করার সময় নয়।”
রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা বলছেন, এই মনোনয়ন-সং’ঘাত যদি ম মৃ’ত্যু পায় না, তাহলে আসনটি বিএনপির জন্য ঝুঁ’কিপূর্ণ হয়ে উঠতে পারে। কারণ মি’ছিলকারীরা ক্ষু’ব্ধ, এবং তারা বলছেন, “দা’বি না মানা হলে আরও ক’ঠোর কর্মসূচি গড়ে তোলা হবে।”
আ’ইন-শৃঙ্খ’লা বা’হিনী ইতিমধ্যেই এলাকায় অতিরিক্ত সাঁজোয়া বাহি’নী মো’তায়েন করেছে — বিশেষত গত কয়েক দিন ধরেই বি’ক্ষো’ভ ও সং’ঘ’র্ষের খবর সামনে আসায়।












