ঢাকা, প্রধান বিচা’রপতি সৈয়দ রেফাত আহমেদ এক বিবৃতি দিয়েছেন, যেখানে তিনি জানিয়ে দিয়েছেন যে, বিচা’র বিভাগের দুর্ব’লতা শুধুমাত্র আই’নগত সমস্যা নয় —
এটি পুরো রাষ্ট্র ও গণতন্ত্রের ভিত্তিকে চ্যালেঞ্জ করছে।
শনিবার সকালে রাজধানীর একটি হোটেলে “বেঙ্গল কনভারসেশন” শীর্ষক এক সম্মেলনে তিনি বক্তব্য দিতে গিয়ে বলেছিলেন, “বি’চার বিভাগ ব্য’র্থ হলে, রাষ্ট্র ও গণতন্ত্র ব্য’র্থ হয়ে যায়।”
তিনি আরও উল্লেখ করেছেন যে, বি’চার বিভাগের স্থায়ী ও গতিশীল সংস্কারই দেশের ভবিষ্যতের মূল চাবিকাঠি।
প্রধান বি’চারপতির ভাষ্য অনুযায়ী, গত কয়েক বছর ধরে বি’চার বিভাগে একটি ব্যাপক সংস্কার রোডম্যাপ গৃহীত হয়েছে। তিনি বলেন, “গত ১৫ মাসে আমরা বি’চারব্যবস্থার স্বায়ত্তশাসন, দক্ষতা বৃদ্ধি ও জনগণের বি’চারপ্রাপ্তির সহজলভ্যতা নিশ্চিত করার জন্য প্রাতিষ্ঠানিক রূপান্তর শুরু করেছি।”
তিনি জোর দিয়েছেন, বি’চার বিভাগের সং’স্কার শুধু প্রশা’সনিক বিষয় নয় — এটি নৈতিক উদ্দেশ্য সঙ্গে যুক্ত।
“সংস্কারের মূল লক্ষ্য প্রশা’সনিক নয়, বরং নৈতিক — যাতে প্রতিষ্ঠান ক্ষমতাকে নয়, মানুষকে সেবা দেয়,” প্রধান বিচা’রপতি উল্লেখ করেছেন।
তবে তার দৃষ্টিতে, বিচা’রকরা আ’ইন ব্যাখ্যা করার সময় তাদের সভ্যতার “শিকড়” বুঝতে হবে। তিনি এক অনুষ্ঠানে বলেছেন, “ইতিহাসের গভীর বোধ ছাড়া কোনো বিচা’রক প্রজ্ঞাবান হতে পারে না। কোনো বিচা’রক যদি তার সভ্যতার শিকড় না বুঝে, আই’নের যথাযথ ব্যাখ্যা দিতে পারে না।”
প্রধান বি’চারপতি আরও সত’র্ক করেছেন যে, এই মুহূর্তে বিশ্বজুড়ে সং’কট এবং অস্থিরতার সময়ে বি’চার বিভাগ সবচেয়ে বড় পরীক্ষার মধ্যে দিয়ে যাচ্ছে।
এতে তার বার্তা স্পষ্ট: শুধু আ’ইন পরিবর্তন করলেই হবে না — বিচা’র বিভাগের কাঠামোগত ও নৈতিক ভিত্তি শক্তিশালী করতে হবে, যাতে দেশের গণতন্ত্র ও আ’ইনশাসন টিকে থাকে।












