ঢাকা ০৬:০০ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬

অগ্রণী ব্যাংকের লকারে শেখ হাসিনা ও পরিবারের ৮৩২ ভরি সোনা উ’দ্ধার — দু’দক

ঢাকা: রাজধানীর মতিঝিলের অগ্রণী ব্যাংকের প্রিন্সিপাল শাখায় শেখ হাসিনা ও তাঁর পরিবারের সদস্যদের নামে থাকা তিনটি লকার থেকে ৮৩২ ভরি সোনা উ’দ্ধার করেছে দু’র্নী’তি দ’মন ক’মিশন (ধ নির্দেশনা অনুযায়ী খোলা হলে এসব সোনা পাওয়া যায়।

দু’দক জানায়, উ’দ্ধার হওয়া সোনার মোট ওজন ৯,৭০৭.১৬ গ্রাম, যার মধ্যে স্বর্ণালংকার ছাড়াও বিশেষ অলংকার — যেমন সোনার নৌকা ও সোনার হরিণ — পাওয়া গেছে। লকারগুলো শেখ হাসিনা, তাঁর বোন শেখ রেহানা এবং মেয়ে সায়মা ওয়াজেদের নামে ছিল।

দু’দ’কের কর্মকর্তারা জানান, ২০০৭ সালের সম্পদ বিবরণীতে শেখ হাসিনা অগ্রণী ব্যাংকে দুইটি লকারের তথ্য দিয়েছিলেন। পরে অনুসন্ধান শুরু হলে আ’দালতে লকার খোলার আবেদন করা হয়। গত ১৪ সেপ্টেম্বর সেই আবেদন ম’ঞ্জুর হওয়ার পর আজ তা বাস্তবায়ন করা হয়।

খত’দ’ন্ত কর্মকর্তাদের ভাষ্য, সোনাগুলোর উৎস, বৈ’ধতা ও মালিকানা এখন যাচাই-বাছাই করা হবে। প্রয়োজন হলে সম্পদ বিবরণীর সঙ্গে মিলিয়ে দেখা হবে, এবং সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের তথ্যও সংগ্রহ করা হবে।

ঘটনাটিকে ঘিরে রাজনৈতিক মহলে ইতোমধ্যে আলোচনা শুরু হয়েছে। তবে এ বিষয়ে শেখ হাসিনার পরিবারের কোনো সদস্য বা আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।

দু’দক বলেছে, বিষয়টি সম্পূর্ণ আ’ইনি প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে অগ্রসর হচ্ছে এবং ত’দ’ন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত কোনো সি’দ্ধান্তে উপনীত হওয়া ঠিক হবে না।

ভান্ডারিয়ায় মোবাইল কোর্টে যুবকের ৩ মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড

অগ্রণী ব্যাংকের লকারে শেখ হাসিনা ও পরিবারের ৮৩২ ভরি সোনা উ’দ্ধার — দু’দক

আপডেট সময় : ১১:৩০:১০ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৬ নভেম্বর ২০২৫

ঢাকা: রাজধানীর মতিঝিলের অগ্রণী ব্যাংকের প্রিন্সিপাল শাখায় শেখ হাসিনা ও তাঁর পরিবারের সদস্যদের নামে থাকা তিনটি লকার থেকে ৮৩২ ভরি সোনা উ’দ্ধার করেছে দু’র্নী’তি দ’মন ক’মিশন (ধ নির্দেশনা অনুযায়ী খোলা হলে এসব সোনা পাওয়া যায়।

দু’দক জানায়, উ’দ্ধার হওয়া সোনার মোট ওজন ৯,৭০৭.১৬ গ্রাম, যার মধ্যে স্বর্ণালংকার ছাড়াও বিশেষ অলংকার — যেমন সোনার নৌকা ও সোনার হরিণ — পাওয়া গেছে। লকারগুলো শেখ হাসিনা, তাঁর বোন শেখ রেহানা এবং মেয়ে সায়মা ওয়াজেদের নামে ছিল।

দু’দ’কের কর্মকর্তারা জানান, ২০০৭ সালের সম্পদ বিবরণীতে শেখ হাসিনা অগ্রণী ব্যাংকে দুইটি লকারের তথ্য দিয়েছিলেন। পরে অনুসন্ধান শুরু হলে আ’দালতে লকার খোলার আবেদন করা হয়। গত ১৪ সেপ্টেম্বর সেই আবেদন ম’ঞ্জুর হওয়ার পর আজ তা বাস্তবায়ন করা হয়।

খত’দ’ন্ত কর্মকর্তাদের ভাষ্য, সোনাগুলোর উৎস, বৈ’ধতা ও মালিকানা এখন যাচাই-বাছাই করা হবে। প্রয়োজন হলে সম্পদ বিবরণীর সঙ্গে মিলিয়ে দেখা হবে, এবং সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের তথ্যও সংগ্রহ করা হবে।

ঘটনাটিকে ঘিরে রাজনৈতিক মহলে ইতোমধ্যে আলোচনা শুরু হয়েছে। তবে এ বিষয়ে শেখ হাসিনার পরিবারের কোনো সদস্য বা আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।

দু’দক বলেছে, বিষয়টি সম্পূর্ণ আ’ইনি প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে অগ্রসর হচ্ছে এবং ত’দ’ন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত কোনো সি’দ্ধান্তে উপনীত হওয়া ঠিক হবে না।