আজ (৩১ ডিসেম্বর ২০২৫) বাংলাদেশে তিনবারের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার মৃ’ত্যুতে দেশজুড়ে ব্যাপক শো’ক ও গায়ে’বানা জানাজা অনুষ্ঠিত হয়েছে। প্রত্যেক জেলায় স্থানীয় নেতাকর্মী, সাধারণ মানুষ ও বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার লোকজন অংশ নিয়ে গভীর শ্রদ্ধা জানিয়েছেন।
রাজধানী ঢাকাসহ সারাদেশের জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে আজ দুপুর থেকে গায়ে’বানা জানাজা ও দোয়া-মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। কেন্দ্রিয়ভাবে মানিক মিয়া অ্যাভিনিউ, জায়গা-জায়গায় মুসল্লিরা মিলিত হয়ে খালেদা জিয়ার রুহের মাগফিরাত কামনা করেছেন এবং শো’কাহত পরিবার ও সমর্থকদের প্রতি সহানুভূতি প্রকাশ করেছেন।
বিভিন্ন জেলায় জানা’জার পরিবেশ ছিল শো’কাবহ। রংপুরের কেন্দ্রিয় ঈদগাহ থেকে শুরু করে রাজশাহী, সিলেট, ময়মনসিংহ, বগুড়া, চাঁদপুর ও বরিশাল পর্যন্ত স্থানীয় দল ও সাধারণ মানুষ অংশগ্রহণ করেছিল। শো’ক প্রকাশের অংশ হিসেবে কিছু জেলার দোকানপাট অর্ধদিবস বন্ধ রাখা হয়েছিল। স্থানীয় শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, সরকারি-বেসরকারি কর্মচারী ও ব্যবসায়ীরাও গায়ে’বানা জানা’জায় উপস্থিত থেকে সমবেদনা জানিয়েছেন।
এদিকে রাজধানীতে খালেদা জিয়ার নামাজে জানা’জা অনুষ্ঠিত হয় সকাল পর্যন্ত দুপুর পর্যন্ত স্থানীয় সরকারের নির্দে’শে বিশেষ নিরা’পত্তা ব্যবস্থার মধ্যে। দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে নেতাকর্মীরা ঢাকায় সমবেত হয়ে শেষ শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করেন ও দোয়া করেন।
BNP অভিভাবকরা সাধারণ মানুষকে বলেন, খালেদা জিয়া বাংলাদেশের রাজনৈতিক জীবনে একটি গুরুত্বপূর্ণ চরিত্র ছিলেন এবং তার অবদানে বাংলাদেশের সমসাময়িক রাজনৈতিক ইতিহাসে তিনি এক গুরুত্বপূর্ণ স্থান অধিকার করেন।
এছাড়াও, আজ দেশব্যাপী শো’কের মধ্যে বিভিন্ন দোয়া-মাহফিল ও স্মৃতিচারণ সভা আয়োজিত হয়েছে, যেখানে নেতৃবৃন্দ ও বুদ্ধিজীবীরা খালেদা জিয়ার জীবন ও কর্মের ওপর আলোকপাত করেছেন এবং তার জন্য আল্লাহর কাছে হেদায়েত ও শান্তি কামনা করেছেন।











