জাতীয় পার্টি (জেপি)-এর রাজনীতিতে ঝালকাঠি–রাজাপুর-কাঠালিয়া এবং পিরোজপুর-২ (নেছারাবাদ, কাউখালী ও ভান্ডারিয়া) আসনকে ঘিরে নতুন করে আলোচনার জন্ম দিয়েছে মাহিবুল হোসেন মাহিমের মনোনয়ন। দুই আসনেই তার মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণার পর স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন উঠেছে—শেষ পর্যন্ত তিনি কোন আসনটি বেছে নেবেন?
দুই আসন, দুই বাস্তবতা
রাজাপুর-কাঠালিয়া এবং পিরোজপুর-২—দুটি আসনের রাজনৈতিক চরিত্র এক নয়। একটি আসনে যেখানে পারিবারিক ও ঐতিহ্যগত প্রভাব গুরুত্বপূর্ণ, অন্যটিতে সেখানে দলীয় সংগঠন ও জোট সমীকরণ বড় ভূমিকা রাখে। মাহিমের জন্য তাই সিদ্ধান্তটি শুধু ব্যক্তিগত পছন্দের নয়, বরং দীর্ঘমেয়াদি রাজনৈতিক টিকে থাকার প্রশ্ন।
দলীয় ভেতরের গোপন সূত্রে জানা যাচ্ছে, এই সিদ্ধান্তের কেন্দ্রে রয়েছে মিয়া পরিবার। পরিবারভিত্তিক রাজনৈতিক প্রভাব ও উত্তরাধিকার প্রশ্নে এখানে আপসের সুযোগ কম। একে অনেকেই দেখছেন ‘অস্তিত্বের লড়াই’ হিসেবে, যেখানে একটি ভুল সিদ্ধান্ত ভবিষ্যৎ রাজনীতিকে ঝুঁকির মুখে ফেলতে পারে।
জেপির কৌশলগত দোটানা
জাতীয় পার্টির জন্যও বিষয়টি স্পর্শকাতর। একটি আসনে শক্ত প্রার্থী ছেড়ে দিলে সেখানে দল দুর্বল হয়ে পড়তে পারে, আবার দুই দিক সামলাতে গিয়ে ভুল সিদ্ধান্ত নিলে ক্ষতি হতে পারে উভয় আসনেই। ফলে দলীয় নেতৃত্ব এখনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্তেজ মেলাতে গিয়ে শেষ পর্যন্ত কোন পথে হাঁটেন তিনি।
দুই আসনে বৈধ মনোনয়ন: মাহিমের সামনে কৌশলগত চ্যালেঞ্জ
-
নিজস্ব প্রতিবেদক: - আপডেট সময় : ০১:৫৬:০৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ৪ জানুয়ারী ২০২৬
- ৩৪৭ বার পড়া হয়েছে











