ঢাকা ০৬:০২ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬

নোয়াখালী-৫ আসনে আবেগঘন বক্তব্যে আলোচনায় এমপি প্রার্থী মানবিক শওকত হোসেন

নোয়াখালী-৫ সংসদীয় আসনের সংসদ সদস্য প্রার্থী মানবিক শওকত হোসেনের একটি আবেগঘন বক্তব্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক আলোচনার সৃষ্টি করেছে। সম্প্রতি এক জনসমাবেশে দেওয়া তার বক্তব্যের ভিডিও ও উদ্ধৃতি ছড়িয়ে পড়ার পর তা নিয়ে চলছে নানা প্রতিক্রিয়া।

‎সমাবেশে বক্তব্য রাখতে গিয়ে মানবিক শওকত হোসেন জানান, সংসদ সদস্য হওয়ার পেছনে তার প্রধান লক্ষ্য বাংলাদেশে বেয়া’রিস রোগের চিকিৎসার জন্য একটি বিশেষায়িত হাসপাতাল প্রতিষ্ঠা করা। তিনি দা’বি করেন, দেশে এখনো এ রোগের জন্য নির্দিষ্ট কোনো চিকিৎসা হাসপাতাল নেই, যার ফলে আক্রান্ত রোগীরা চিকিৎসা সংক’টে পড়ছেন।

‎বক্তব্যের একপর্যায়ে তিনি আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন এবং কান্নাজড়িত কণ্ঠে ভোটারদের কাছে সমর্থন চান। এ সময় তিনি ঘোষণা দেন, সংসদ সদস্য নির্বাচিত হলে সরকার থেকে প্রাপ্ত সম্মানী ভাতা তিনি ব্যক্তিগতভাবে ব্যবহার করবেন না। বরং সেই অর্থ দেশের ও মানুষের কল্যাণে ব্যয় করবেন বলে অঙ্গীকার করেন। প্রতিশ্রুতির দৃঢ়তা প্রকাশ করতে তিনি মা–বাবার কস’ম এবং আল্লাহর কস’মের কথাও উল্লেখ করেন।

মানবিক শওকত হোসেনের এই বক্তব্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে অনেকেই তার মানবিক দৃষ্টিভঙ্গি ও আবেগী উপস্থাপনাকে ইতিবাচক হিসেবে দেখছেন। সমর্থকরা বলছেন, একজন জনপ্রতিনিধির এমন মানবিক চিন্তাভাবনা প্রশংসনীয়।
তবে নির্বাচনী মাঠে তার এসব প্রতিশ্রুতির

বাস্তবায়নযোগ্যতা নিয়ে ভিন্নমতও উঠে এসেছে। কেউ কেউ মনে করছেন, আবেগের পাশাপাশি সুস্পষ্ট পরিকল্পনা ও বাস্তব কাঠামো উপস্থাপন করাই হবে ভোটারদের আস্থা অর্জনের মূল চাবিকাঠি।

এ বিষয়ে এখন পর্যন্ত সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ কিংবা প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীদের পক্ষ থেকে কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।

ভান্ডারিয়ায় মোবাইল কোর্টে যুবকের ৩ মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড

নোয়াখালী-৫ আসনে আবেগঘন বক্তব্যে আলোচনায় এমপি প্রার্থী মানবিক শওকত হোসেন

আপডেট সময় : ০৮:৫৩:০৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ৫ জানুয়ারী ২০২৬

নোয়াখালী-৫ সংসদীয় আসনের সংসদ সদস্য প্রার্থী মানবিক শওকত হোসেনের একটি আবেগঘন বক্তব্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক আলোচনার সৃষ্টি করেছে। সম্প্রতি এক জনসমাবেশে দেওয়া তার বক্তব্যের ভিডিও ও উদ্ধৃতি ছড়িয়ে পড়ার পর তা নিয়ে চলছে নানা প্রতিক্রিয়া।

‎সমাবেশে বক্তব্য রাখতে গিয়ে মানবিক শওকত হোসেন জানান, সংসদ সদস্য হওয়ার পেছনে তার প্রধান লক্ষ্য বাংলাদেশে বেয়া’রিস রোগের চিকিৎসার জন্য একটি বিশেষায়িত হাসপাতাল প্রতিষ্ঠা করা। তিনি দা’বি করেন, দেশে এখনো এ রোগের জন্য নির্দিষ্ট কোনো চিকিৎসা হাসপাতাল নেই, যার ফলে আক্রান্ত রোগীরা চিকিৎসা সংক’টে পড়ছেন।

‎বক্তব্যের একপর্যায়ে তিনি আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন এবং কান্নাজড়িত কণ্ঠে ভোটারদের কাছে সমর্থন চান। এ সময় তিনি ঘোষণা দেন, সংসদ সদস্য নির্বাচিত হলে সরকার থেকে প্রাপ্ত সম্মানী ভাতা তিনি ব্যক্তিগতভাবে ব্যবহার করবেন না। বরং সেই অর্থ দেশের ও মানুষের কল্যাণে ব্যয় করবেন বলে অঙ্গীকার করেন। প্রতিশ্রুতির দৃঢ়তা প্রকাশ করতে তিনি মা–বাবার কস’ম এবং আল্লাহর কস’মের কথাও উল্লেখ করেন।

মানবিক শওকত হোসেনের এই বক্তব্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে অনেকেই তার মানবিক দৃষ্টিভঙ্গি ও আবেগী উপস্থাপনাকে ইতিবাচক হিসেবে দেখছেন। সমর্থকরা বলছেন, একজন জনপ্রতিনিধির এমন মানবিক চিন্তাভাবনা প্রশংসনীয়।
তবে নির্বাচনী মাঠে তার এসব প্রতিশ্রুতির

বাস্তবায়নযোগ্যতা নিয়ে ভিন্নমতও উঠে এসেছে। কেউ কেউ মনে করছেন, আবেগের পাশাপাশি সুস্পষ্ট পরিকল্পনা ও বাস্তব কাঠামো উপস্থাপন করাই হবে ভোটারদের আস্থা অর্জনের মূল চাবিকাঠি।

এ বিষয়ে এখন পর্যন্ত সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ কিংবা প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীদের পক্ষ থেকে কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।