ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন পরবর্তী সময়ে সংরক্ষিত নারী আসনের নির্বাচনকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। নির্বাচন কমিশন সূত্রে জানা গেছে, রমজান মাসের মধ্যেই ৫০টি সংরক্ষিত নারী আসনের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে পারে।
দলীয় সূত্রে জানা যায়, জাতীয় সংসদে সংখ্যাগরিষ্ঠতা পাওয়া বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) জোটের ভাগে উল্লেখযোগ্যসংখ্যক আসন পড়তে পারে। সম্ভাব্য প্রার্থীদের মধ্যে আলোচনায় রয়েছেন মহিলা দলের কেন্দ্রীয় নেত্রী তানজিন চৌধুরী লিলি।
রাজনৈতিক পরিচিতি ও সাংগঠনিক ভূমিকা
তানজিন চৌধুরী লিলি বর্তমানে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী মহিলা দল-এর কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য এবং ময়মনসিংহ উত্তর জেলা মহিলা দলের সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। তাঁর বাড়ি ময়মনসিংহের গৌরীপুরে।
ছাত্রজীবনে তিনি ছাত্রদলের রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত হন এবং ১৯৯৬ সালে কলেজ ছাত্র সংসদে ছাত্রী বিষয়ক সম্পাদক নির্বাচিত হন। পরবর্তীতে তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়-এর সমাজবিজ্ঞান বিভাগ থেকে ২০০৪ সালে অনার্স ও ২০০৫ সালে মাস্টার্স সম্পন্ন করেন। বিশ্ববিদ্যালয় জীবনে তিনি শামসুন নাহার হল শাখার আহ্বায়ক ও সভাপতির দায়িত্বও পালন করেন।
আ’ন্দোলন-সং’গ্রাম ও জনপ্রতিনিধিত্ব
রাজনৈতিক আ’ন্দোলন-সং’গ্রামে সক্রিয় ভূমিকা রাখতে গিয়ে তিনি বিভিন্ন সময়ে হা’মলা-মা’মলার শি’কার হয়েছেন বলে জানা যায়। ২০০৯ সালে তিনি গৌরীপুর উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে বিপুল ভোটে নির্বাচিত হন।
স্থানীয় নেতাকর্মীদের মতে, দীর্ঘদিন ধরে সাংগঠনিক কার্যক্রম, নারী অধিকার ও সামাজিক উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত থাকার কারণে তানজিন চৌধুরী লিলি সংরক্ষিত নারী আসনের একজন সম্ভাব্য যোগ্য প্রার্থী হিসেবে বিবেচিত হচ্ছেন।
প্রত্যাশা ও মূল্যায়ন
দলীয় নেতাদের ভাষ্য, সংরক্ষিত নারী আসনে মনোনয়ন পেলে তিনি নারীর শিক্ষা, কর্মসংস্থান ও ক্ষমতায়নে কার্যকর ভূমিকা রাখতে সক্ষম হবেন। তবে এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত দলীয় ফোরাম থেকেই নেওয়া হবে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র নিশ্চিত করেছে।
সংরক্ষিত নারী আসনের নির্বাচনকে ঘিরে রাজনৈতিক অঙ্গনে জল্পনা-কল্পনা চললেও সম্ভাব্য প্রার্থীদের মধ্যে তানজিন চৌধুরী লিলির নাম ইতোমধ্যে আলোচনায় উঠে এসেছে।












