পিরোজপুরের ভান্ডারিয়া উপজেলার গৌরীপুর ইউনিয়নের কৃতি সন্তান ফজলুল করিম মিঠু মিয়া মানবতার সেবক হিসেবে ইতোমধ্যে ব্যাপক পরিচিতি লাভ করেছেন।
অসহায়, দরিদ্র ও সুবিধাব’ঞ্চিত মানুষের জন্য তিনি হয়ে উঠেছেন একমাত্র ভরসার স্থল।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ফজলুল করিম মিঠু মিয়া দীর্ঘদিন ধরে নিজস্ব অর্থায়নে বিভিন্ন সামাজিক ও মা’নবিক কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছেন।
তিনি অসহায় পরিবারের মাঝে ঢেউটিন বিতরণ, বয়স্ক ও দরিদ্র মানুষের জন্য বিনামূল্যে চক্ষু চিকিৎসা, ক্যা’ন্সার রোগীদের আর্থিক সহায়তা প্রদানসহ নানা উদ্যোগ গ্রহণ করেছেন।
শুধু তাই নয়, শিক্ষাক্ষেত্রেও তার অবদান প্রশংসনীয়। তিনি স্কুলের ছাত্র-ছাত্রীদের মাঝে বই, খাতা, কলম এবং খেলাধুলার সামগ্রী বিতরণ করেন। দরিদ্র শিক্ষার্থীদের পরীক্ষার ফি ও স্কুলের বেতন নিজ অর্থে পরিশোধ করে তাদের পড়াশোনার সুযোগ নিশ্চিত করছেন।
এছাড়াও মসজিদ ও মাদ্রাসায় নিয়মিত অনুদান দিয়ে আসছেন তিনি।
তার এই মানবিক কার্যক্রম গৌরীপুর ইউনিয়ন ছাড়িয়ে দেশের বিভিন্ন জেলা ও উপজেলায় ছড়িয়ে পড়েছে, যার ফলে উপকৃত হচ্ছেন অসংখ্য অসহায় মানুষ।
এলাকার সাধারণ জনগণ জানান, ফজলুল করিম মিঠু মিয়ার মতো একজন মানবিক ও সেবামূলক মানুষ যদি জনপ্রতিনিধি, বিশেষ করে ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পান, তাহলে এলাকায় উন্নয়নের গতি আরও ত্বরান্বিত হবে এবং দরিদ্র মানুষের কল্যাণে আরও কার্যকর ভূমিকা রাখা সম্ভব হবে।
এ বিষয়ে ফজলুল করিম মিঠু মিয়া বলেন, “জনপ্রতিনিধি না হয়েও মানুষের জন্য কাজ করা যায়—আমি সেটাই প্রমাণ করেছি। তবে জনগণ যদি দল-মত নির্বিশেষে ঐক্যবদ্ধভাবে আমাকে সমর্থন করে, তাহলে আমি আরও বৃহৎ পরিসরে মানুষের পাশে থাকতে পারবো, ইনশাআল্লাহ। আর চেয়ারম্যান না হলেও, আমার ইউনিয়নের সকল অসহায় মানুষ—হিন্দু, মুসলিম, বৌদ্ধ নির্বিশেষে—সবার পাশে আমি আজীবন থাকবো,
ইনশাআল্লাহ।”












