ঢাকা ০৮:১২ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬

মহান শহীদ দিবস রংপুর সদরের ইউএনও বাণী

  • নিজস্ব প্রতিবেদক:
  • আপডেট সময় : ০৬:২৪:৩৫ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ ফেব্রুয়ারী ২০১৭
  • ৩৩৮ বার পড়া হয়েছে

মহান শহীদ দিবস রংপুর সদরের ইউএনও বাণী দিয়েছেন

খবর বিজ্ঞপ্তি।।
আজ মহান একুশে ফেব্রুয়ারি। এই দিন এলেই যেন মনে পড়ে যায় সেই ১৯৫২ সালের ঘটনা সমূহ।মহান শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস বাণী দিয়েছেন রংপুর সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জিয়াউর রহমান।তিনি তার বাণীতে বলেন-

“এলো আবার। ফিরে এলো রক্তস্নাত ভাষা আন্দোলনের স্মৃতিবহ সেই মহান শহীদ দিবস। বাঙালি জাতির চির প্রেরণা ও অবিস্মরণীয় এই দিনটি শুধু বাংলাদেশে নয়, বিশ্বজুড়ে ‘আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস’ হিসেবে পালিত হচ্ছে আজ। জাতির জীবনে শোকাবহ, গৌরবোজ্জ্বল ও চিরভাস্বর ১৯৫২ সালের এই দিনে মাতৃভাষা বাংলার মর্যাদা রাখতে গিয়ে বুকের রক্ত ঢেলে দিয়েছিলেন সালাম, রফিক, জব্বার, বরকত, সফিউররা। পৃথিবীর ইতিহাসে মাতৃভাষার জন্য রাজপথে বুকের রক্ত ঢেলে দেয়ার প্রথম নজির এটি। সেদিন তাঁদের রক্তে শৃঙ্খলমুক্ত হয়েছিল দুঃখিনী বর্ণমালা, মায়ের ভাষা। আর এর মাধ্যমে বাঙালি জাতিসত্তা বিকাশের যে সংগ্রামের সূচনা হয়েছিল, মুক্তিযুদ্ধের গৌরবময় পথ বেয়ে স্বাধীন বাংলাদেশের অভ্যুদয়ের মধ্য দিয়ে তা চূড়ান্ত পরিণতি লাভ করে। একুশে ফেব্রুয়ারি তাই বাঙালির কাছে চির প্রেরণার প্রতীকে পরিণত হয়েছে।”

ভান্ডারিয়ায় মোবাইল কোর্টে যুবকের ৩ মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড

মহান শহীদ দিবস রংপুর সদরের ইউএনও বাণী

আপডেট সময় : ০৬:২৪:৩৫ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ ফেব্রুয়ারী ২০১৭

মহান শহীদ দিবস রংপুর সদরের ইউএনও বাণী দিয়েছেন

খবর বিজ্ঞপ্তি।।
আজ মহান একুশে ফেব্রুয়ারি। এই দিন এলেই যেন মনে পড়ে যায় সেই ১৯৫২ সালের ঘটনা সমূহ।মহান শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস বাণী দিয়েছেন রংপুর সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জিয়াউর রহমান।তিনি তার বাণীতে বলেন-

“এলো আবার। ফিরে এলো রক্তস্নাত ভাষা আন্দোলনের স্মৃতিবহ সেই মহান শহীদ দিবস। বাঙালি জাতির চির প্রেরণা ও অবিস্মরণীয় এই দিনটি শুধু বাংলাদেশে নয়, বিশ্বজুড়ে ‘আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস’ হিসেবে পালিত হচ্ছে আজ। জাতির জীবনে শোকাবহ, গৌরবোজ্জ্বল ও চিরভাস্বর ১৯৫২ সালের এই দিনে মাতৃভাষা বাংলার মর্যাদা রাখতে গিয়ে বুকের রক্ত ঢেলে দিয়েছিলেন সালাম, রফিক, জব্বার, বরকত, সফিউররা। পৃথিবীর ইতিহাসে মাতৃভাষার জন্য রাজপথে বুকের রক্ত ঢেলে দেয়ার প্রথম নজির এটি। সেদিন তাঁদের রক্তে শৃঙ্খলমুক্ত হয়েছিল দুঃখিনী বর্ণমালা, মায়ের ভাষা। আর এর মাধ্যমে বাঙালি জাতিসত্তা বিকাশের যে সংগ্রামের সূচনা হয়েছিল, মুক্তিযুদ্ধের গৌরবময় পথ বেয়ে স্বাধীন বাংলাদেশের অভ্যুদয়ের মধ্য দিয়ে তা চূড়ান্ত পরিণতি লাভ করে। একুশে ফেব্রুয়ারি তাই বাঙালির কাছে চির প্রেরণার প্রতীকে পরিণত হয়েছে।”