ঢাকা ০৫:৫৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬

মঠবাড়িয়ায় মা ইলিশ সংরক্ষণ অভি’যান: তিন জেলে আ’টক

‎ ইলিশের প্রধান প্রজ’নন মৌসুমে সরকারি নিষে’ধাজ্ঞা অমা’ন্য করে মাছ ধরার অপ’রাধে পিরোজপুর জেলার মঠবাড়িয়া উপজেলায় তিন জেলেকে আ’টক করে মোবাইল কোর্টের মাধ্যমে জরি’মানা করা হয়েছে।

‎আজ (বুধবার) সকাল ৮টা থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত মঠবাড়িয়া উপজেলার বলেশ্বর নদীর বড়মাছুয়া এলাকায় এই বিশেষ অভি’যান পরিচালিত হয়। মঠবাড়িয়া উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা মোঃ মোজাম্মেল হকের নেতৃত্বে ও মঠবাড়িয়া থা’না পুলি’শের সহযোগিতায় পরিচালিত অভি’যানে নদী থেকে ৫০০ মিটার নি’ষিদ্ধ কারে’ন্ট জাল জ’ব্দসহ তিনজন জেলেকে হাতেনাতে আট’ক করা হয়।

পরবর্তীতে, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) জনাব আবদুল কাইয়ুম ভ্রাম্য’মাণ আদা’লত পরিচালনা করে আট’ককৃত প্রত্যেক জেলেকে ১৫ হাজার টাকা করে সর্বমোট ৪৫ হাজার টাকা জরি’মানা করেন।

‎আ’টক ও জরি’মানা’কৃত ব্যক্তিরা হলেন— ১. মোঃ হাছান, পিতা: মোশাররফ তালুকদার, গ্রাম: জুনিয়া, ভান্ডারিয়া
২. সুমন, পিতা: মজিবর আকন, গ্রাম: জুনিয়া, ভান্ডারিয়া
৩. সোহাগ, পিতা: মজিবর আকন, গ্রাম: জুনিয়া, ভান্ডারিয়া
মৎস্য কর্মকর্তা জানান, “ইলিশ রক্ষায় আমাদের অভি’যান অব্যা’হত থাকবে। মা ইলিশ সংরক্ষণে সকলকে সচেতন হতে হবে, নয়তো আ’ইনগত ব্যবস্থা অব্যা’হত থাকবে।”
উল্লেখ্য, ইলিশের প্রজ’ননকালীন সময়ে ১২ অক্টোবর পর্যন্ত দেশব্যাপী ইলিশ আহ’রণ, মজুদ, পরিবহন ও বাজারজাতকরণে সরকারি নিষে’ধাজ্ঞা বল’বৎ রয়েছে।

ভান্ডারিয়ায় মোবাইল কোর্টে যুবকের ৩ মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড

মঠবাড়িয়ায় মা ইলিশ সংরক্ষণ অভি’যান: তিন জেলে আ’টক

আপডেট সময় : ১০:২৫:৩১ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৯ অক্টোবর ২০২৫

‎ ইলিশের প্রধান প্রজ’নন মৌসুমে সরকারি নিষে’ধাজ্ঞা অমা’ন্য করে মাছ ধরার অপ’রাধে পিরোজপুর জেলার মঠবাড়িয়া উপজেলায় তিন জেলেকে আ’টক করে মোবাইল কোর্টের মাধ্যমে জরি’মানা করা হয়েছে।

‎আজ (বুধবার) সকাল ৮টা থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত মঠবাড়িয়া উপজেলার বলেশ্বর নদীর বড়মাছুয়া এলাকায় এই বিশেষ অভি’যান পরিচালিত হয়। মঠবাড়িয়া উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা মোঃ মোজাম্মেল হকের নেতৃত্বে ও মঠবাড়িয়া থা’না পুলি’শের সহযোগিতায় পরিচালিত অভি’যানে নদী থেকে ৫০০ মিটার নি’ষিদ্ধ কারে’ন্ট জাল জ’ব্দসহ তিনজন জেলেকে হাতেনাতে আট’ক করা হয়।

পরবর্তীতে, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) জনাব আবদুল কাইয়ুম ভ্রাম্য’মাণ আদা’লত পরিচালনা করে আট’ককৃত প্রত্যেক জেলেকে ১৫ হাজার টাকা করে সর্বমোট ৪৫ হাজার টাকা জরি’মানা করেন।

‎আ’টক ও জরি’মানা’কৃত ব্যক্তিরা হলেন— ১. মোঃ হাছান, পিতা: মোশাররফ তালুকদার, গ্রাম: জুনিয়া, ভান্ডারিয়া
২. সুমন, পিতা: মজিবর আকন, গ্রাম: জুনিয়া, ভান্ডারিয়া
৩. সোহাগ, পিতা: মজিবর আকন, গ্রাম: জুনিয়া, ভান্ডারিয়া
মৎস্য কর্মকর্তা জানান, “ইলিশ রক্ষায় আমাদের অভি’যান অব্যা’হত থাকবে। মা ইলিশ সংরক্ষণে সকলকে সচেতন হতে হবে, নয়তো আ’ইনগত ব্যবস্থা অব্যা’হত থাকবে।”
উল্লেখ্য, ইলিশের প্রজ’ননকালীন সময়ে ১২ অক্টোবর পর্যন্ত দেশব্যাপী ইলিশ আহ’রণ, মজুদ, পরিবহন ও বাজারজাতকরণে সরকারি নিষে’ধাজ্ঞা বল’বৎ রয়েছে।