রাজধানীর বসুন্ধরা এলাকায় অবস্থিত Evercare Hospital-তে দীর্ঘ দিন চিকিৎসাধীন খালেদা জিয়া-র শারীরিক অবস্থা অ স্থির থাকলে শীঘ্রই দেশে ফিরবেন তারেক রহমান — এমন মন্তব্য করেছেন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
মির্জা ফখরুল বলেন, “যদি খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থা অপরিবর্তিত থাকে এবং মেডিকেল বোর্ড প্রয়োজন মনে করে, তাহলে তারেক রহমান দেশে ফেরার সিদ্ধান্ত নেবেন।”
অপরদিকে, এভারকেয়ার হাসপাতালের সামনে নি’রাপত্তা জো’রদার করা হয়েছে। হাসপাতালের প্রধান ফটকের পাশে দুই পাশে ব্যারিকেড বসানো হয়েছে এবং পু’লি’শের পাশাপাশি নিয়োজিত রয়েছে স্পেশাল সিকিউরিটি ফোর্স (এসএসএফ)। কেবলমাত্র রোগী ও তার নিকট আত্মীয়-স্বজন এবং অনুমোদিত ব্যক্তিদের প্র’বেশ অনুমোদন রয়েছে।
চিকিৎসা সংক্রান্ত সিদ্ধান্তটি একটি মেডিকেল বোর্ড নিচ্ছে, যেখানে দেশি ও বিদেশি চিকিৎসকরা অংশগ্রহণ করছেন। বোর্ডের পরামর্শ অনুযায়ী সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে যে, তারেক রহমানকে দেশে ফেরানো বা বিদেশে চিকিৎসার জন্য নেওয়া হবে কি না।
চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, খালেদা জিয়া বর্তমানে চিকিৎসা নিচ্ছেন এবং দিকনির্দেশনায় চলমান আছে। তবে রোগীর শারীরিক জটিলতা ও বর্তমান অবস্থার কারণে সিদ্ধান্ত নেয়া যাচ্ছে না দ্রুত।
বর্তমানে খালেদা জিয়ার শা’রীরিক অবস্থার প্রতিটি আপডেটই বাংলাদেশে রাজ’নৈতিক দৃষ্টিকোণ থেকে সংবে’দনশীল। এমন সময় চিকিৎসা সংক্রান্ত প্রতিটি পদ’ক্ষে’পে স্বচ্ছতা, রোগীর সম্মতি এবং জন নিরা পত্তা নিশ্চিত করা অপরিহার্য। সরকার, চিকিৎসা বোর্ড ও পরিবারের মধ্যে সমন্বয় গুরুত্বপূর্ণ। পাশাপাশি, সাধারণ মানুষের প্রতিক্রিয়া ও উ’দ্বেগ বিবেচনায় রেখে সুষ্ঠু তথ্য সরবরাহ করাই হবে সবার জন্য নিরা’পদ ও দায়িত্বপূর্ণ — এই গুণ গুলোর দিকে নজর রাখা শুধু দায়িত্ব নয়, নৈতিকত বটে।















