ঢাকা ০৫:৫৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬

সত্যের জয়: আইনি লড়াইয়ের মাধ্যমে ভান্ডারিয়ার পৌরসভার বৈধ মেয়র হলেন মাহিবুল হোসেন

  • অনলাইন ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ০৯:০৪:৫৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ৮ অক্টোবর ২০২৫
  • ১৬০ বার পড়া হয়েছে

‎ভান্ডারিয়া পৌরসভায় সম্প্রতি এক ন’জিরবি’হীন আ’ইনি ল’ড়াই ও ন্যায়বি’চারের জয়ের সা’ক্ষী হয়েছে দেশ। জনপ্রিয় প্রার্থী মাহিবুল হোসেন মাহিম মিয়া অবশেষে আদা’লতের রা’য়ে ভান্ডারিয়ার বৈ’ধ মেয়র হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছেন। এই রা’য় শুধু একজন প্রার্থীর বিজয় নয়—এটি দেশের গণতন্ত্র, ন্যা’য়বি’চার ও জনতার বিজ’য়ের প্রতীক হয়ে উঠেছে।
‎নির্বাচনের দিনেই ছড়িয়েছিল কালো ছা’য়া ‎ভোটের দিন ভান্ডারিয়ায় যা ঘটেছিল, তাকে শুধুই “নিয়মভ’ঙ্গ” বলে বর্ণনা করা যথেষ্ট নয়। আও’য়ামী লী’গের প্রভাবশা’লী নেতাদের ছ’ত্রছা’য়ায় দলীয় প্রার্থী‎ খসরু জমাদ্দার ও তার সমর্থকরা প্রকাশ্যে ভোট কেন্দ্র দখল করে নিয়ন্ত্রণ নেন। সিসি ক্যামেরা বন্ধ করে কার’চুপি চালানো, টাকা ও ব্ল্যাংক ভোটপেপারের মাধ্যমে ভোট কেনা’বেচা, এবং পেশী শ’ক্তির মাধ্যমে ভী’তিকর পরিবেশ সৃষ্টি করা হয়।
‎এমনকি নির্বাচন পূর্ব সময় থেকেই প্রচা’রণায় ব্যাপক অনিয়মের অভি’যোগ উঠে। নি’ষিদ্ধ লেমিনেটেড পোস্টার ব্যবহার, সংখ্যালঘু সাংবাদিক শংকর জিৎ সমাদ্দার রা’য়ের উপর অমা’নবিক নির্যা’তন, প্রকাশ্যে হু’মকি, এবং তিন-চার শতাধিক মোটরসাইকেলের সন্ত্রা’সী মি’ছিল পরিচালিত হয়, যার সবকিছুই প্রশা’সনের চোখের সামনে ঘটে।

‎প্রশাস’নের নীর’ব ভূমিকা ও দায়িত্বে অব’হেল‎নির্বাচন কমিশন ও আ’ইন-শৃঙ্খলা বাহি’নী এসব অনি’য়ম ও হুম’কির বিরু’দ্ধে কার্যকর কোনো ব্যবস্থা নেয়নি। প্রশা’সনের এই নীর’বতা ও পক্ষপাত’মূলক অবস্থান প্র’শ্ন তোলে সাধারণ জনগণের মধ্যে। বহু ভোটার জানান, তারা ভ’য়ে ভোটকেন্দ্রে যেতে পারেননি। এই পরিস্থিতিতে জনগণের ভোটাধিকার কা’র্যত হ’রণ করা হয়।
‎আই’নের পথে ফিরে আসে ন্যায়
‎ভোট কার’চুপির পর পরা’জিত হওয়া সত্ত্বেও মাহিবুল হোসেন মাহিম মিয়া হার মানেননি। তিনি নিয়ম’তান্ত্রিকভাবে আদা’লতের শর’ণাপন্ন হন এবং এক দীর্ঘ আ’ইনি লড়া’ইয়ের মাধ্যমে অনি’য়ম, কার’চুপি ও প্রভাব বিস্তারের সকল প্রমা’ণ আদা’লতে উপস্থাপন করেন। বিচা’রিক আদা’লত সকল তথ্য ও যুক্তি পর্যালোচনা করে মাহিবুল হোসেন মাহিম মিয়ার পক্ষে রা’য় প্রদান করেন।
‎রা’য় ঘোষণার পর জনতার উল্লাস
‎আদা’লতের এই রা’য়ে পুরো ভান্ডারিয়া জুড়ে আনন্দের জোয়ার বয়ে যায়। শহরের বিভিন্ন প্রান্তে আনন্দ মি’ছিল, মিষ্টি বিতরণ এবং দোয়া মাহ’ফিল অনুষ্ঠিত হয়। সাধারণ মানুষ মনে করেন, অবশেষে স’ত্য ও ন্যা’য়ের জ’য় হয়েছে। অনেকেই বলেন, “এই বিজয় আমাদের হা’রিয়ে যাওয়া আ’স্থা ফিরিয়ে এনেছে।”
‎মাহিবুল হোসেন মাহিম মিয়া প্রতি’শ্রু’তি: ‘এই বিজয় জনগণের’
‎দায়িত্ব গ্রহণের পর মাহিবুল হোসেন মাহিম মিয়া এক প্রতিক্রিয়ায় বলেন,
‎”এই বিজয় আমার একার নয়—এটি সত্যের, জনগণের এবং গণতন্ত্রের বিজয়। আমি এই দায়িত্বকে একটি পবিত্র আমা’নত হিসেবে দেখছি এবং জনগণের স্বপ্ন পূরণে কাজ করে যাবো।”
‎তিনি জানান, অতীতে যেভাবে রাজ’নৈ’তিক প্রভাব, কালো টাকা ও প্রশা’সনিক অপব্য’বহা’রের মাধ্যমে নির্বাচনকে প্রভাবিত করা হয়েছে—সেই সংস্কৃতি ভা’ঙতে তিনি অ’ঙ্গীকার’বদ্ধ।
‎বিচা’রের মুখো’মুখি হতে হবে অপরা’ধীদের
‎জনগণের দা’বি একটাই—যেসব ব্যক্তি ও গোষ্ঠী এই নির্বাচনকে প্র’শ্নবিদ্ধ করেছে, সাধারণ মানুষের অধিকার হর’ণ করেছে, এবং সংখ্যালঘু সাংবাদিকদের উপর অত্যা’চার চালিয়েছে, তাদের বি’রু’দ্ধে আ’ইন অনুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। আও’য়ামী লী’গের প্রার্থী ও তার সহযোগীরা নির্বাচন বিধিমালার একাধিক ধারা ল’ঙ্ঘ’ন করলেও, প্রশা’সন যে ভূমিকা পালন করেছে তা নিয়েও এখন প্রশ্ন উঠছে সর্বত্র।
‎নির্বাচনী অপ’রাধের বিচা’র না হলে ভবিষ্যতের নির্বাচন ব্যবস্থাও হুম’কির মুখে পড়বে—এমনটাই মনে করছেন দেশের বিশিষ্ট নাগরিকরা।
‎ স্বপ্ন বাংলা নিউজ টিভি সর্বদা থাকবে স’ত্যের পক্ষে, অন্যা’য়ের বিপ’ক্ষে।

ভান্ডারিয়ায় মোবাইল কোর্টে যুবকের ৩ মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড

সত্যের জয়: আইনি লড়াইয়ের মাধ্যমে ভান্ডারিয়ার পৌরসভার বৈধ মেয়র হলেন মাহিবুল হোসেন

আপডেট সময় : ০৯:০৪:৫৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ৮ অক্টোবর ২০২৫

‎ভান্ডারিয়া পৌরসভায় সম্প্রতি এক ন’জিরবি’হীন আ’ইনি ল’ড়াই ও ন্যায়বি’চারের জয়ের সা’ক্ষী হয়েছে দেশ। জনপ্রিয় প্রার্থী মাহিবুল হোসেন মাহিম মিয়া অবশেষে আদা’লতের রা’য়ে ভান্ডারিয়ার বৈ’ধ মেয়র হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছেন। এই রা’য় শুধু একজন প্রার্থীর বিজয় নয়—এটি দেশের গণতন্ত্র, ন্যা’য়বি’চার ও জনতার বিজ’য়ের প্রতীক হয়ে উঠেছে।
‎নির্বাচনের দিনেই ছড়িয়েছিল কালো ছা’য়া ‎ভোটের দিন ভান্ডারিয়ায় যা ঘটেছিল, তাকে শুধুই “নিয়মভ’ঙ্গ” বলে বর্ণনা করা যথেষ্ট নয়। আও’য়ামী লী’গের প্রভাবশা’লী নেতাদের ছ’ত্রছা’য়ায় দলীয় প্রার্থী‎ খসরু জমাদ্দার ও তার সমর্থকরা প্রকাশ্যে ভোট কেন্দ্র দখল করে নিয়ন্ত্রণ নেন। সিসি ক্যামেরা বন্ধ করে কার’চুপি চালানো, টাকা ও ব্ল্যাংক ভোটপেপারের মাধ্যমে ভোট কেনা’বেচা, এবং পেশী শ’ক্তির মাধ্যমে ভী’তিকর পরিবেশ সৃষ্টি করা হয়।
‎এমনকি নির্বাচন পূর্ব সময় থেকেই প্রচা’রণায় ব্যাপক অনিয়মের অভি’যোগ উঠে। নি’ষিদ্ধ লেমিনেটেড পোস্টার ব্যবহার, সংখ্যালঘু সাংবাদিক শংকর জিৎ সমাদ্দার রা’য়ের উপর অমা’নবিক নির্যা’তন, প্রকাশ্যে হু’মকি, এবং তিন-চার শতাধিক মোটরসাইকেলের সন্ত্রা’সী মি’ছিল পরিচালিত হয়, যার সবকিছুই প্রশা’সনের চোখের সামনে ঘটে।

‎প্রশাস’নের নীর’ব ভূমিকা ও দায়িত্বে অব’হেল‎নির্বাচন কমিশন ও আ’ইন-শৃঙ্খলা বাহি’নী এসব অনি’য়ম ও হুম’কির বিরু’দ্ধে কার্যকর কোনো ব্যবস্থা নেয়নি। প্রশা’সনের এই নীর’বতা ও পক্ষপাত’মূলক অবস্থান প্র’শ্ন তোলে সাধারণ জনগণের মধ্যে। বহু ভোটার জানান, তারা ভ’য়ে ভোটকেন্দ্রে যেতে পারেননি। এই পরিস্থিতিতে জনগণের ভোটাধিকার কা’র্যত হ’রণ করা হয়।
‎আই’নের পথে ফিরে আসে ন্যায়
‎ভোট কার’চুপির পর পরা’জিত হওয়া সত্ত্বেও মাহিবুল হোসেন মাহিম মিয়া হার মানেননি। তিনি নিয়ম’তান্ত্রিকভাবে আদা’লতের শর’ণাপন্ন হন এবং এক দীর্ঘ আ’ইনি লড়া’ইয়ের মাধ্যমে অনি’য়ম, কার’চুপি ও প্রভাব বিস্তারের সকল প্রমা’ণ আদা’লতে উপস্থাপন করেন। বিচা’রিক আদা’লত সকল তথ্য ও যুক্তি পর্যালোচনা করে মাহিবুল হোসেন মাহিম মিয়ার পক্ষে রা’য় প্রদান করেন।
‎রা’য় ঘোষণার পর জনতার উল্লাস
‎আদা’লতের এই রা’য়ে পুরো ভান্ডারিয়া জুড়ে আনন্দের জোয়ার বয়ে যায়। শহরের বিভিন্ন প্রান্তে আনন্দ মি’ছিল, মিষ্টি বিতরণ এবং দোয়া মাহ’ফিল অনুষ্ঠিত হয়। সাধারণ মানুষ মনে করেন, অবশেষে স’ত্য ও ন্যা’য়ের জ’য় হয়েছে। অনেকেই বলেন, “এই বিজয় আমাদের হা’রিয়ে যাওয়া আ’স্থা ফিরিয়ে এনেছে।”
‎মাহিবুল হোসেন মাহিম মিয়া প্রতি’শ্রু’তি: ‘এই বিজয় জনগণের’
‎দায়িত্ব গ্রহণের পর মাহিবুল হোসেন মাহিম মিয়া এক প্রতিক্রিয়ায় বলেন,
‎”এই বিজয় আমার একার নয়—এটি সত্যের, জনগণের এবং গণতন্ত্রের বিজয়। আমি এই দায়িত্বকে একটি পবিত্র আমা’নত হিসেবে দেখছি এবং জনগণের স্বপ্ন পূরণে কাজ করে যাবো।”
‎তিনি জানান, অতীতে যেভাবে রাজ’নৈ’তিক প্রভাব, কালো টাকা ও প্রশা’সনিক অপব্য’বহা’রের মাধ্যমে নির্বাচনকে প্রভাবিত করা হয়েছে—সেই সংস্কৃতি ভা’ঙতে তিনি অ’ঙ্গীকার’বদ্ধ।
‎বিচা’রের মুখো’মুখি হতে হবে অপরা’ধীদের
‎জনগণের দা’বি একটাই—যেসব ব্যক্তি ও গোষ্ঠী এই নির্বাচনকে প্র’শ্নবিদ্ধ করেছে, সাধারণ মানুষের অধিকার হর’ণ করেছে, এবং সংখ্যালঘু সাংবাদিকদের উপর অত্যা’চার চালিয়েছে, তাদের বি’রু’দ্ধে আ’ইন অনুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। আও’য়ামী লী’গের প্রার্থী ও তার সহযোগীরা নির্বাচন বিধিমালার একাধিক ধারা ল’ঙ্ঘ’ন করলেও, প্রশা’সন যে ভূমিকা পালন করেছে তা নিয়েও এখন প্রশ্ন উঠছে সর্বত্র।
‎নির্বাচনী অপ’রাধের বিচা’র না হলে ভবিষ্যতের নির্বাচন ব্যবস্থাও হুম’কির মুখে পড়বে—এমনটাই মনে করছেন দেশের বিশিষ্ট নাগরিকরা।
‎ স্বপ্ন বাংলা নিউজ টিভি সর্বদা থাকবে স’ত্যের পক্ষে, অন্যা’য়ের বিপ’ক্ষে।